দীপাবলিতে কেন কতখানি মিষ্টি খাবেন জানাচ্ছেন সেলিব্রিটি পুষ্টিবিদ রুজুতা দ্বিওয়েকার

বাড়িতে বানানো ঐতিহ্যগত মিষ্টিগুলি এমনভাবে তৈরি করা হয় যাতে এগুলিতে গ্লাইসমিক সূচক স্বাভাবিকভাবেই কম। এভাবে, ডায়াবেটিকরা বাড়িতে বানানো মিষ্টি খেতে পারে কারণ এটি রক্তে চিনির মাত্রা স্থিতিশীল রাখে।

एनडीटीवी फूड  |  Updated: November 01, 2018 12:52 IST

Reddit
Diwali 2018; what to say to Diwali Sweets? Rujuta Diwekar Has The Perfect Answer!

দীপাবলি উদযাপনের অন্যতম বড় অংশ হল নানা ধরনের মিষ্টি

Highlights
  • রুজুতা দ্বিওয়েকার জানাচ্ছেন দীপাবলির অন্যতম আকর্ষণ হল মিষ্টি
  • ঐতিহ্য মেনে বাড়িতেই মিষ্টি বানানো উচিৎ
  • ডায়াবেটিকরা বাড়িতে বানানো মিষ্টি খান

ভারতীয়রা সব ঋতুর সব উত্সব দুর্দান্তভাবে উদযাপন করতে জানে। কাজের ব্যস্ততা, উদ্বেগকে সরিয়ে রেখে পরিবার এবং বন্ধুদের সাথে আনন্দের মুহূর্ত গড়ে তোলার সময় আমরা ঠিক বের করে নিতে জানি। আর ভারতীয় উৎসব মানেই খাবারের উৎসবও। সেলিব্রিটি পুষ্টিবিদ রুজুতা দ্বিওয়েকার দম্প্রতি দীপাবলিতে মিষ্টি খাওয়া কেন গুরুত্বপূর্ণ সেই বিষয়ে একটি Facebook এবং Instagram লাইভ করেছিলেন।

দীপাবলিতে মিষ্টি কেন খেতে হবে?

রুজুতা দ্বিওয়েকারের মতে, সব ধরনের দীপাবলির মিষ্টি খাওয়া সম্পূর্ণ সুস্থ বিষয়। বাড়ির তৈরি লাড্ডু, হালুয়া এবং বরফি দীপাবলি উদযাপনের গুরুত্বপূর্ণ অংশ এবং তাই আমাদের অবশ্যই এগুলি খাওয়া, প্রস্তুত করা শিখতে হবে এবং নতুন প্রজন্মের সাথেও ঐতিহ্য অনুযায়ী এই মিষ্টি তৈরির কৌশল বা জ্ঞান ভাগ করে নিতে হবে।

dk7485uo

চকোলেট শিল্পের অন্ধকার দিক সম্পর্কে সচেতনতা বৃদ্ধি করে তিনি বলেন, চকোলেট একটি শিল্প যেখানে সারা বিশ্ব জুড়ে অনেক শিশু শ্রমিক জড়িত রয়েছে। তিনি দীপাবলির স্বাভাবিক মিষ্টি তৈরির উপর জোর দিয়েছেন এবং ঐতিহ্যগত এই সব মিষ্টি প্রস্তুত করার জন্য পরিবারের সকল সদস্যের একত্রিত হওয়া উচিত বলেও মনে করেন।

স্থানীয় মিষ্টির দোকান থেকে দীপাবলির মিষ্টি কিনুন

আপনার এলাকার স্থানীয় মিষ্টি বিক্রেতাদের কাছ থেকে আপনি লাড্ডু, বরফি ইত্যাদি মিষ্টি পেতে পারেন। দুপুরের খাবারের অংশ হিসাবেও মিষ্টি খাওয়া হয় দীপাবলিতে। সাধারণত থালার একেবারে মাঝে মিষ্টি রাখা হয়। ঐতিহ্যগতভাবে এবং সাংস্কৃতিকভাবে দীপাবলি উদযাপন করার এটাই পন্থা।

দীপাবলিতে মিষ্টিতে চিনি বেশি থাকলে কী করণীয়?

দীপাবলিতে ডায়াবেটিক মানুষ চিনির কথা চিন্তা করেই মিষ্টি খাওয়া এড়িয়ে যান। রক্তের চিনির মাত্রার ভারসাম্যের কথা ভেবেই তাঁরা উৎসবের বড় একটা অংশ থেকে নিজেদের দূরে রাখেন। রুজুতা এই বিষয়টি তুলে ধরে বলেন যে, বাড়িতে বানানো ঐতিহ্যগত মিষ্টিগুলি এমনভাবে তৈরি করা হয় যাতে এগুলিতে গ্লাইসমিক সূচক স্বাভাবিকভাবেই কম। এভাবে, ডায়াবেটিকরা বাড়িতে বানানো মিষ্টি খেতে পারে কারণ এটি রক্তে চিনির মাত্রা স্থিতিশীল রাখে।

অন্য খাবারের কম খেয়ে মিষ্টি দিয়ে পেট ভরানোর কথা না ভাবলেও চলবে। সাধারণত 3 বা 4 দিন ধরে চলে দীপাবলির উদযাপন। সুতরাং নিশ্চিন্তে মিষ্টি খান জমিয়ে।

Comments



খাদ্য সংক্রান্ত সাম্প্রতিক খবর, স্বাস্থ্য সংক্রান্ত টিপস, রেসিপি জানতে, লাইক করুন আমাদের Facebook পেজ অথবা ফলো করুন Twitter আর সাবস্ক্রাইব করুন YouTube

Advertisement
Advertisement