রাতের খাবারে রোজ দেরি করলে বাড়তে পারে প্রস্টেট ও স্তন ক্যানসার

পড়ুন | Read In

   |  Updated: July 22, 2018 11:15 IST

Reddit
Eating Dinner Late May Increase Cancer Risk, Says Study
Highlights
  • Eating post 9 pm increases chances of prostate and breast cancers
  • Sleeping right after eating also increases cancer risk
  • Earlier studies have linked dietary patterns and habits with cancer risk

রাতের খাবার খেতে প্রায়ই দেরি হয়ে যাচ্ছে?

কোনও রকমে খেয়েই ঘুমোতে যাবার তাড়া?

সাবধান, না বুঝেই ক্যানসারের সম্ভাবনা বাড়াচ্ছেন আপনি।

কোন সময়ে খাচ্ছেন তার উপরে শরীরের অনেক সমস্যার কারণ লুকিয়ে থাকে। মোটা বা রোগা হয়ে যাওয়া, ব্লাড প্রেসার, ব্লাড সুগারের হঠাৎ ওঠানামা এসবই কিন্তু নির্ভর করে খাবার সময়ের উপর। তবে আপনি কি জানেন যে আপনি কখন রাতের খাওয়া সারছেন তার উপর নির্ভর করছে ক্যান্সারের ঝুঁকিও? ইন্টারন্যাশনাল জার্নাল অফ ক্যান্সার প্রকাশিত একটি নতুন গবেষণায় দাবি করা হয়েছে যে, দেরি করে রাতের খাবার খেলে স্তন ক্যানসার আর প্রস্টেট ক্যানসারের ঝুঁকি বেড়ে যায় অনেকখানি। 621 জন প্রস্টেট এবং 1,205 স্তন ক্যান্সারের রোগীর উপর পরীক্ষাও চালানো হয় এই বিষয়ে, যার মধ্যে পুরুষের সংখ্যা ছিল 872 জন এবং নারীর সংখ্যা 1,321 জন। স্পেনের গবেষকদের একটি দল এই গবেষণাটি পরিচালনা করেন। অংশগ্রহণকারীদের ঘুমের সময়সূচী এবং রাতের খাবার সময় সংক্রান্ত তথ্য সংগ্রহ করা হয়।

পরিবারে কারো ক্যান্সার আছে কিনা, বা  অংশগ্রহণকারীদের আর্থ-সামাজিক অবস্থান এবং তাদের পরিবেশে ক্যান্সার হতে পারার মতো কোনও প্রভাবরয়েছে কিনা ইত্যাদি বিষয়গুলি খুঁটিয়ে দেখেন গবেষকেরা। ফলাফল হিসেবে তাঁরা জানান, দেরি করে রাতের খাবার খেলে সার্বিকভাবেই প্রস্টেট ও স্তন ক্যানসারের ঝুঁকি বেড়ে যায়। প্রোস্টেট ক্যান্সারের ক্ষেত্রে গবেষণায় দেখা গেছে যে রাত  9 টার আগে যারা রাতে রাতের খাবার খেয়ে নেন বা খাবার দু’ঘণ্টা পরে ঘুমোন তাঁদের প্রস্টেট ক্যান্সার সৃষ্টির ঝুঁকি 26 শতাংশ কম ছিল। একইভাবে, প্রাথমিক স্তরের মহিলাদের যারা রাত 10 টার আগে ডিনার সেরে নেন তাঁদের মধ্যে স্তন ক্যান্সারের ঝুঁকি 16% কম।

গবেষকরা জানান যে, দেরি করে খাবার খেলে, এবং খাবার পরেই ঘুমিয়ে পড়লে  শরীরের সার্কাডিয়ান ছন্দ ব্যহত হয়। যার ফলে বিভিন্ন জৈব প্রক্রিয়া যেমন ঘুম, হরমোনের কার্যকারিতা, শক্তিমাত্রা এবং শরীরের তাপমাত্রা ভারসাম্য হারায়। এর ফলে আমাদের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতাও কমে যায়, টিউমার হওয়ার প্রবণতা বেড়ে যায়। গবেষকরা আরও বলছেন, খাদ্য উপাদান আর আলো এই সার্কাডিয়ান ছন্দকে সবচেয়ে ভালো নিয়ন্ত্রণ করে। আগের বিভিন্ন গবেষণায় মানুষের শরীরের ক্যান্সার তৈরিতে বিভিন্ন খাবারের কী কী ঝুঁকি তা নিয়ে বিস্তর পরীক্ষানিরীক্ষা হয়েছে। কিন্তু ক্যান্সারের কারণ হিসেবে খাবারের সময়সূচি কীভাবে প্রভাব ফেলতে পারে হতে পারে তা নিয়ে খুব সীমিত গবেষণাই রয়েছে।

Comments

খাদ্য সংক্রান্ত সাম্প্রতিক খবর, স্বাস্থ্য সংক্রান্ত টিপস, রেসিপি জানতে, লাইক করুন আমাদের Facebook পেজ অথবা ফলো করুন Twitter আর সাবস্ক্রাইব করুন YouTube

Advertisement
সৌন্দর্য
Advertisement