দীর্ঘদিন ব্রেকফাস্ট না করাটাই অভ্যাস? জানেন মৃত্যু অব্দি হতে পারে এই কারণে?

एनडीटीवी फूड डेस्क  |  Updated: April 19, 2019 18:17 IST

Reddit
No Breakfast and Late Dinner?Skipping Breakfast May Kill You Says Latest Study

যদি দীর্ঘদিন ধরে সকালে জলখাবার না খান এবং রাতের খাবার অনেক দেরিতে খান, তাহলে মৃত্যু ও অন্যান্য হৃদরোগ সংক্রান্ত সমস্যার ঝুঁকি কেবলই বাড়াচ্ছেন আপনি

জীবনে সমস্ত মানুষই একবার বা দুবার ব্রেকফাস্ট বা সকালের জলখাবার না খেয়েই সারা দিন কাটিয়ে দিয়েছি। সমস্যাটা একবার বা দু'বারের নয়, এমন মানুষের সংখ্যা এখন ক্রমেই বাড়ছে যারা দিনের পর দিন সকালে কিছু না খেয়েই কাটিয়ে দিচ্ছেন। অফিসে বেরোতে দেরি হয়ে যাচ্ছে, ট্রেন বা ফ্লাইট মিস ভয়ে অধিকাংশ মানুষই কিছুই না খেয়ে বেরিয়ে যান। কিন্তু যদি দীর্ঘদিন ধরে সকালে জলখাবার না খান এবং রাতের খাবার অনেক দেরিতে খান, তাহলে মৃত্যু ও অন্যান্য হৃদরোগ সংক্রান্ত সমস্যার ঝুঁকি কেবলই বাড়াচ্ছেন আপনি। এমনটাই বলছেন গবেষকরা। ইউরোপিয়ান জার্নাল অফ প্রিভেনটিভ কার্ডিওলজিতে প্রকাশিত এই গবেষণা বলছে, ব্রেকফাস্ট না খাওয়ার অভ্যাস মৃত্যুও ডেকে আনতে পারে। 

বিশ্ব যকৃত দিবস: ‘শরীরের ইঞ্জিনের' যত্ন নিতে নজর দিন ডায়েটে

গবেষণায় দেখা গিয়েছে যে এই ধরনের অস্বাস্থ্যকর জীবনযাত্রার মানুষের মৃত্যুর সম্ভাবনা চার থেকে পাঁচগুণ বেশি এবং এতে দ্বিতীয় হার্ট অ্যাটাকের সম্ভাবনাও বেড়েছে। ব্রাজিলের সাও পাওলো স্টেট ইউনিভার্সিটির সহ লেখক মার্কোস মিনিকুকি বলেন, “আমাদের গবেষণায় দেখা যায় যে, এই ধরণের দুই খাদ্যাভ্যাস হৃদরোগের সঙ্গে যুক্ত। তবে এখানেই শেষ না খারাপ অভ্যাসগুলি দীর্ঘদিন থাকলে এটি যে কোনও অসুস্থতাকেই আরও খারাপ করে তুলবে।"

তাঁর কথায়, “আমরা মনে করি যে প্রদাহজনক প্রতিক্রিয়া, অক্সিডেটিভ স্ট্রেস এবং এন্ডোথেলিয়াল ফাংশন অস্বাস্থ্যকর খাদ্যাভ্যাস এবং কার্ডিওভাসকুলার ফলাফলগুলির সম্পর্কের সঙ্গে জড়িত।”

গবেষকদের দলটি গড় ৬০ বছর বয়সী ১১৩ জন রোগীর মূল্যায়ন করে, যার মধ্যে ৭৩ শতাংশই ছিলেন পুরুষ। গবেষণায় সেই রোগীদের বিশেষ তালিকাভুক্ত করা হয় যাঁদের একটি বিশেষ ধরণের হার্ট অ্যাটাকের সমস্যা রয়েছে, যাকে বলে এসটি-সেগমেন্ট এলিভেশন মায়োকার্ডিয়াল ইনফার্কশন বা এসটিইএমআই (ST-segment elevation myocardial infarction)। 

নাক ডাকা? ঘুমের আগে দু' পেগ মদ? সারা জীবনের ঘুমের সর্বনাশ করছেন না তো?

তীব্র করোনারি সিন্ড্রোম রয়েছে এমন রোগীদের এই অস্বাস্থ্যকর আচরণ নিয়ে মূল্যায়ন প্রথম গবেষণা ছিল। ৫৮% রোগীই সকালে জলখাবার খেতেন না, অনেক দেরি করে রাতের খাবার খেতেন ৫১% মানুষ এবং ৪১% মানুষ এই দু'টোই করতেন দিনের পর দিন। গবেষকরা বলেছেন যে, খাদ্যাভ্যাস নিয়ে অবশ্যই প্রয়োজনীয় হস্তক্ষেপ করা উচিত মানুষের। গবেষকরা আরও বলছেন, রাতের খাবার খাওয়া এবং ঘুমোতে ওয়ার মধ্যে অন্তর দুই ঘন্টার ব্যবধান থাকা উচিৎ।

গবেষকদের ওই দল বলেন, “একটা ভালো ব্রেকফাস্টে সাধারণত দুগ্ধজাত দ্রব্য (চর্বিহীন বা কম চর্বিযুক্ত দুধ, দই এবং পনীর), একটু কার্বোহাইড্রেট (গোটা আটার রুটি, বেগেল, শস্য) এবং গোটা ফল থাকা উচিৎ।”

Comments

খাদ্য সংক্রান্ত সাম্প্রতিক খবর, স্বাস্থ্য সংক্রান্ত টিপস, রেসিপি জানতে, লাইক করুন আমাদের Facebook পেজ অথবা ফলো করুন Twitter আর সাবস্ক্রাইব করুন YouTube

Advertisement
Advertisement