বিশ্ব যকৃত দিবস: ‘শরীরের ইঞ্জিনের’ যত্ন নিতে নজর দিন ডায়েটে

যকৃতকে বলা হয় শরীরের ইঞ্জিন। কিন্তু আমরা কতটুকুই বা সময় দিই যকৃতের সুস্থতার জন্য!

एनडीटीवी  |  Updated: April 18, 2019 17:06 IST

Reddit
World Liver Day 2019:  Ayurveda Recommends Some Foods For A Healthy Liver

বিশ্ব যকৃত দিবস পালিত হয় ১৯ এপ্রিল

Highlights
  • যতৃত হল শরীরের ইঞ্জিনের মতোই
  • আয়ুর্বেদ মতে কিছু খাবার শরীরের বিষমুক্তি ঘটাতে পারে
  • নিয়মিত ওয়ালনাটা খেলে উপকার পাবেন

প্রতি বছর ১৯ এপ্রিল ‘বিশ্ব যকৃত দিবস' পালিত হয়। শরীরের একটি গুরুত্বপূর্ণ অঙ্গ হল যকৃত যা সঠিক সময় প্রয়োজনীয় চিকিৎসার অভাবে গোটা শরীরকে অকেজো করে দিতে পারে। লিভারের সুস্থতা নিশ্চিত করতে শরীরে যাতে টক্সিন না জমে সেদিকে নজর দেওয়া উচিত। হজমের সমস্যা, কোলেস্টেরল সংক্রান্ত সমস্যা থেকে যকৃত দুর্বল হয়ে পড়তে পারে। আয়ুর্বেদ অবশ্য এ সব থেকে দূরে থাকতে বেশ কিছু পরামর্শ দিয়ে থাকে। যকৃতকে বলা হয় শরীরের ইঞ্জিন। কিন্তু আমরা কতটুকুই বা সময় দিই যকৃতের সুস্থতার জন্য! যকৃত বা লিভারের কাজ অনেক:

নাক ডাকা? ঘুমের আগে দু' পেগ মদ? সারা জীবনের ঘুমের সর্বনাশ করছেন না তো?

১.শরীরের রক্তকে শুদ্ধ রাখা সাধারণত যকৃৎ শুদ্ধ এবং অশুদ্ধ প্লাজমার মধ্যে পার্থক্য নির্ধারণ করে রক্ত পরিশ্রুত রাখে। এর ফলে ত্বকের নানা সমস্যা থেকে আমরা মুক্তি লাভ করি

২. ফ্যাটি এসিড হজম করানোর ক্ষেত্রে ও যকৃতের ভূমিকা রয়েছে। যকৃতের থেকে নিঃসৃত রস এর দ্বারাই ফ্যাটি অ্যাসিডের আত্তীকরণ সম্ভব হয়।

৩. রক্ত তঞ্চন এর জন্য প্রয়োজনীয় উপাদান যকৃতের থেকেই উৎপন্ন হয়।

৪. চিনিকে গ্লাইকোজেনে শরীরের মধ্যেই পরিণত করার জন্য যকৃতের ভূমিকা অনস্বীকার্য।

৫. আয়রন কপার এবং ভিটামিন-এ, বি-টুয়েলভ শরীরে জমিয়ে রাখার গুরুদায়িত্বটি পালন করে।

আয়ুর্বেদ মতে বেশ কিছু ফল, সবজি ও দুগ্ধজাত দ্রব্য আমাদের প্রতিদিনের ডায়েটে থাকলে যকৃত সুস্থ রাখা সম্ভব। চলুন দেখে নিই তেমন কিছু উপাদানের সন্ধান।

পেট ও মন দুই ভরবে, পাঁচটি স্বাস্থ্যকর ডিনার রেসিপির সন্ধান

রসুন

রসুন যকৃত থেকে এক ধরনের এনজাইম উৎপাদনে সাহায্য করে যা শরীর থেকে টক্সিনকে বের করে দেয়। এ ছাড়াও এর মধ্যে উঁচু মানের অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট, অ্যান্টিবায়োটিক এবং অ্যান্টিফাঙ্গাল উপাদান থাকে এতে। যা যকৃত পরিষ্কার করার ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নেয়।

onion and garlic

নিয়মিত রসুন খান

গাজ

গাজরের মধ্যে প্রচুর বিটা ক্যারোটিন থাকে যা যকৃতের স্বাস্থ্যের উন্নতি ঘটায়। এ ছাড়া গাজরে থাকা ভিটামিন-এ যে কোনও যকৃতের রোগকে ঠেকাতে পারে।

আপেল

আপেলের মধ্যে থাকে পেকটিন যা শরীর থেকে টক্সিন দূর করে, হজম শক্তিকে সমৃদ্ধ করে।

apples

আপেলের মধ্যে থাকে প্রচুর পরিমাণে পেকটিন

ওয়ালনাট

ওয়ালনাটের মধ্যে থাকে প্রচুর অ্যামিনো অ্যাসিড। নিয়মিত ওয়ালনাট খেলে লিভারের ডিটক্স ভালোভাবে হয়।

গ্রিন টি

বিশ্বব্যাপী গ্রিন টি-র এখন খুবই খ্যাতি। কিন্তু যকৃতের ভূমিকার উন্নতি ঘটাতে এর জুড়ি নেই।

green tea

গ্রিন টি হজমশক্তিকে উন্নত করে

সবুজ শাকসবজি

সবুজ শাক সবজিতে প্রচুর পরিমাণে ক্লোরোফিল থাকে যা আমাদের রক্তের মধ্যে থেকে টক্সিন টেনে নিষ্কাশিত করে। পালংশাক, কড়াইশুঁটি ব্রোকোলি, লেটুস নিয়মিত ডায়েটে রাখা প্রয়োজন

লেবু জাতীয় ফল

কমলালেবু, পাতিলেবু বা মুসম্বি লেবু যে কোনও ধরনের টক ফলের মধ্যে এনজাইম থাকে। এদের জুস হিসেবেও খাওয়া যায় বা ফ্রুট স্যালাড বানিয়েও খেতে পারেন।

হলুদ

যকৃতের স্বাস্থ্য ভালো রাখতে হলুদের জুরি নেই। তবে গুঁড়ো হলুদের থেকে কাঁচা হলুদ বেশি উপকারী হিসেবে বিবেচিত হয়।

turmeric

যকৃতের স্বাস্থ্যরক্ষায় হলুদের জুড়ি নেই

বিটরুট

বিটরুট ভিটামিন-সি এর একটি ভালো উৎস। এটা স্যালাড-সবজি যে কোনও কিছুর মধ্যে খাওয়া যায়।

Comments

খাদ্য সংক্রান্ত সাম্প্রতিক খবর, স্বাস্থ্য সংক্রান্ত টিপস, রেসিপি জানতে, লাইক করুন আমাদের Facebook পেজ অথবা ফলো করুন Twitter আর সাবস্ক্রাইব করুন YouTube

Advertisement
Advertisement