হারবে ক্যান্সার...জিতবেন আপনি...রোজ মাছ খেলে

Fish Nutrition: মাছ যেমন জলে তাজা তেমনি আপনার শরীর তাজা মাছে।

NDTV Food  |  Updated: December 01, 2019 11:27 IST

Reddit
Here's Why You Should Include Fish In Your Diet Daily

Fish Nutrition: কেন খাবেন মাছ?

Highlights
  • মাছে ফ্যাট কম, প্রচুর প্রোটিন, পুষ্টি ঠাসা
  • প্রোটিনের সঙ্গে ৯টি অ্যামাইনো অ্যাসিডও আছে
  • বাঙালি তাই বরাবর মাছে-ভাতে

এমনি এমনিই কি মাছে-ভাতে বাঙালি? শুধু খেতে খাসা, অনেক ভাবে রান্না করা যায় বলে নয়। মাছের (Fish) প্রচুর গুণ। এই প্রাণিজ প্রোটিনে (animal proteins) রয়েছে প্রচুর প্রোটিন, লো-ক্যালোরি আর ৯টি অ্যামাইনো অ্যাসিড। যা হৃদরোগ, ক্যান্সার, হাড়ক্ষয়, ব্লাডপ্রেসার, স্ট্রোক, ডায়াবেটিস কমায়। বিকাশ ঘটায় ব্রেনের। মাছ যেমন জলে তাজা তেমনি আপনার শরীর তাজা মাছে। অথচ, ক্যালোরি বাড়ায় না। তাহলে কেন রোজ পাতে থাকবে না মাছ?  

Nutrition In Fish: কোন রোজ মাছ?

প্রোটিন

মাছ মানেই প্রচুর প্রোটিন আর ৯টি অ্যামাইনো অ্যাসিডের সমাহার। প্রোটিন প্রতি কোষে পুষ্টি জোগায়। রক্ত সঞ্চালন ঠিক রাখে। রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায়।

Watch Video: আয়েশ করে 'মাথা' খান ....গরম ভাতে মাছের মুড়োর ডাল দিয়ে



20ag0pmg



মাছ মানেই প্রচুর প্রোটিন আর অ্যামাইনো অ্যাসিড

ভালো ফ্যাট

অন্য প্রাণিজ প্রোটিনের মতো এতে খারাপ ফ্যাট থাকে। না। ফলে, কোলেস্টেরল বাড়ে না। বরং, মাছ থেকে মেলে omega -3 ফ্যাট। যআ হৃদরোগ রুখে দেয়। এর মধ্যে থাকা ট্রাইগ্লিসারিড কোলেস্টেরল বাড়তে দেয় না। সঙ্গে থাকা ৯টি অ্যাসিড শরীরের রোগপ্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায়। অ্যালজাইমার্স কমিয়ে স্মরণশক্তি বাড়ায়। প্রচুর ওমেগা ৩ অ্যাসিড পাবেন টুনা, স্যামন, সার্ডিন, ম্যাকারেল, ট্রাউট মাছে। এগুলি ডিমেনশিয়া, ডায়াবেটিসও রুখে দেয়। 

প্রচুর ভিটামিন

এর মধ্যে থাকা ভিটামিন ডি হাড়-দাঁত মজবুত করে। কমায় ডায়াবেটিস টাইপ ১। রোজ পাতে মাছ থাকলে হাড়ের ক্ষয়, ব্রেস্ট-কোলন-প্রসেস্ট ক্যান্সার আপনার ধারেপাশে ঘেঁষবে না। এর মধ্যে থাকা ভিটামিন বি২ শিশুদের বাড়বৃদ্ধিতে সাহায্য করে। 

কোয়েলের সঙ্গে Cake মিক্সিং! সামনেই ‘বড়দিন'



ag12pimo



এর মধ্যে থাকা ভিটামিন ডি হাডড়-দাঁত মজবুত করে

মিনারেলস

খনিজে ভরপুর মাছ---

  • এর মধ্যে থাকা আয়রন রক্তাল্পতা কমাতে সাহায্য করে। অন্য খাবার দ্রুত হজম করতেও সাহায্য করে। শরীরের তাপমাত্রা ধরে রাখে। এনার্জি বাড়ায়। 
  • জিঙ্ক রোগ প্রতিরোধে যেমন সাহায্য করে তেমনি শরীরে থাকা এনজাইম ভেঙে পুষ্টি জোগাতে সাহায্য করে। এতে অন্ত্র ভালো থাকে। 
  • গর্ভস্থ সন্তানের মস্তিষ্ক বিকাশের জন্য আয়োডিন অতি জরুরি। এছাড়া, শিশুর থাইরয়েড গ্রন্থির ক্ষরণ, ঝটপট কথা বলায় সাহায্য করে এই খনিজ। গলগণ্ড রোগ হতে দেয় নাI
  • ম্যাগনেশিয়াম ক্যালসিয়ামকে হজম করতে সাহায্য করে। তাতে হাড়-দাঁতে সহজেই পৌঁছতে পারে ভিটামিন সি। এবং মজবুত হয় সেগুলি। শক্ত রপে হৃদপেশি। হাইপারটেনশন বা ব্লাডপ্রেসার কমাতেও সাহায্য করে এই খনিজ।
  • শরীরের কোষ পুষ্ট করে পটাশিয়াম। ব্লাডপ্রেশার নিয়ন্ত্রণে রাখে। কিডনিতে স্টোন হতে দেয় না। চট করে হাড় ভাঙতে দেয় না। 

সতর্কীকরণ: তথ্য অনুসরণের আগে বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নেওয়া জরুরি।

Comments

খাদ্য সংক্রান্ত সাম্প্রতিক খবর, স্বাস্থ্য সংক্রান্ত টিপস, রেসিপি জানতে, লাইক করুন আমাদের Facebook পেজ অথবা ফলো করুন Twitter আর সাবস্ক্রাইব করুন YouTube

Advertisement
Advertisement