Durga Puja 2019: আড্ডা, কন্টিনেন্টাল ফুড আর রাহুলদেব বর্মন

সেই আড্ডায় যদি সুর মেশে, তাহলে সোনায় সোহাগা। তার সঙ্গে থাকতেই হবে অঢেল খানা অ্যান্ড পিনা।

Upali Mukherjee  |  Updated: September 15, 2019 19:04 IST

Reddit
Pancham Er Adday, The R.D Burman Themed Café Opens in Kolkata

ছবি সৌজন্যে পঞ্চমের আড্ডায়

তিনিও বাঙালি। তিনিও সুযোগ পেলেই বন্ধু-বান্ধব বা সহকর্মীদের নিয়ে আড্ডায় মশগুল হতেন। আর পাঁচজন বাঙালির মতোই ছুটিতে-উৎসবে প্রবল পৈটিক টান অনুভব করতেন, ভালো খাবারদাবারের প্রতি। আর বাকি সময় ডুবে থাকতেন সুরের সাগরে। মা সরস্বতীর এই বরপুত্র দেশের গর্ব, বাঙালির বুকের ধন। তাঁর সুর, তাঁর গান প্রেমে-অপ্রেমে, আনন্দে-ব্যথায়, বিরহ-মিলনের গাথা। হিন্দি দিয়ে উত্থান হলেও কলকাতাতেও তাঁর একটি বাড়ি ছিল। তিনি কল্লোলিনীর রাহুল দেব বর্মন। বাঙালির প্রিয় শচীন দেব বর্মন বা শচীন কত্তার একমাত্র ছেলে পঞ্চম। তাঁকে ভোলার সাধ্য নেই কারোর। কিন্তু তাঁকে আরও একবার একান্তে কাছে পাওয়া তো যেতেই পারে। বাঙালির যাবতীয় গুণে ভরা এই ব্যক্তিত্ব নতুন করেই যেন এবছরের পুজোয় হাজির হচ্ছেন সবার সামনে। দক্ষিণ কলকাতায়, 'পঞ্চমের আড্ডায়' ক্যাফেতে (Pancham Er Adday)। এখানে পা দিলেই চোখে পড়বে এক দেওয়ালের একপাশ জুড়ে রাহুল দেব বর্মন (R.D Burman Themed Café) রয়েছেন তাঁর চেনা ভঙ্গিতে। যেন পাশে রাখা ড্রাম আর জ্যাজ। যেন এক্ষুণি বাঁধানো ছবির খোলস ছেড়ে বেরিয়ে এসেই বসে যাবেন সুর করতে।

jftllgkg



ড্রাম আর জ্যাজের পেছনের দেওয়াল কাঠের। সেখানে সযত্নে সাজানো বাবা-ছেলের দুর্লভ কিছু ছবি। আর রয়েছে  দাবা, লুডো, ক্যারম, গল্পের বই--- অর্থাৎ খাঁটি বাঙালির যা যা পছন্দ।

dhgchnio



দেওয়াল জুড়ে রয়েছে পঞ্চমের সুর দেওয়া ছবির গানের পোস্টার। যেমন, ১৯৪২, আ লাভ স্টোরি বা ইয়াদোঁ কি বারাত ছবির টুকরো কোলাজ। এছাড়াও, স্মৃতি উসকে দিতে রয়েছে লতা-কিশোর কুমারের সঙ্গে রাহুলের অজস্র ছবি, রাহুলের সিডি। সারাক্ষণই ক্যাফেতে বাজবে পঞ্চমের সেরা গান।

6e0scfg8



রাহুলকে সঙ্গে নিয়ে যাঁরা নস্টালজিয়ায় ডুবতে ডুবতে খাবারের কন্টিনেন্টাল ডিশ চাখতে পছন্দ করবেন পুজোয় তাঁদের জন্য থাকবে ক্ল্যাসিক চিকেন এসক্যালপ, নাভারিন অফ ল্যান্ড, সি ফুড নিউ বার্গ, গ্রিলড ল্যাম্ব চপ অ্যান্ড মেনি মোর। পানীয় হিসেবে থাকবে, ওয়াটারমেলন মোজিতো, ম্যাঙ্গো মোজিতো, ব্লু কামিকাজে।

k77up82

ক্যাফের কর্ণধার অমৃতার মতে, আড্ডা, গান আর খাবার পেলে বাঙালি আর কিছুই চায় না। তাই পুজোর আগে এই নয়া উদ্যোগ। যেখানে রাহুল দেব বর্মেনর স্মৃতি থাকবে এভার গ্রিন হয়ে। সঙ্গে সঙ্গিনী, বন্ধু বা পরিবারের সবাইকে নিয়ে নিশ্চিন্তে সময় কাটানোর মতো রোম্যান্টিক বসার জায়গা। পুজোয় এর থেকে বড় উপহার আর কী হতে পারে বাঙালির কাছে! ক্যাফে খোলা থাকবে সকাল ন-টা থেকে রাত ১০টা পর্যন্ত।

Comments

খাদ্য সংক্রান্ত সাম্প্রতিক খবর, স্বাস্থ্য সংক্রান্ত টিপস, রেসিপি জানতে, লাইক করুন আমাদের Facebook পেজ অথবা ফলো করুন Twitter আর সাবস্ক্রাইব করুন YouTube

Advertisement
Advertisement